অতনু ঘোষের পরিচালনায়, সাড়ে ৩ বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং গার্গী রায় চৌধুরী ও রায়তি ভট্টাচার্য ও থাকছেন ছবিতে।
ছবির নাম ‘শেষ পাতা’। প্রযোজনায় ফ্রেন্ডস কমিউনিকেশন।

ছবির কাহিনি চারটি মানুষকে ঘিরে। মূলত বাল্মীকি নামে এক লেখককে ঘিরে। ৮০ ও ৯০এর দশকে খুব বিখ্যাত ছিলেন তিনি, কিন্তু এমন কিছু ঘটনা ঘটে যার জেরে আজ খ্যাতির থেকে অনেক দূরে তিনি। তার সঙ্গে জড়িয়ে যায় মেধা এবং সৌনকের জীবন।বাল্মীকির চরিত্রে আছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়,
মেধার চরিত্রে অভিনয় করছেন গার্গী রায় চৌধুরী এবং সৌনকের ভূমিকাতে রয়েছেন বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সৌনকের প্রেমিকা, দীপার চরিত্রেই দেখা যাবে রায়তি ভট্টাচার্য কে। বাল্মীকি ও মেধার গল্পের পাশাপাশি তাদের প্রেমের গল্পও এই ছবির অন্যতম দিক।

ছবির প্রযোজক ফিরদাউসুল হাসান জানালেন, ‘‘অতিমারির মধ্যে এমন বিষয় তুলে ধরতে চাই, যা সিনেমাপ্রেমীদের মনের খোরাক জোগাবে। অতনুর সঙ্গে এটা আমাদের চতুর্থ কাজ। আশা করি, এই ছবিটিও ‘ময়ূরাক্ষী’-র মতোই দর্শকের মন ছুঁয়ে যাবে।’’

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বললেন,”অতনুর সঙ্গে এই নিয়ে তিনটি ছবিতে কাজ করছি। ওঁর স্টোরি টেলিং অন্য রকমের। গল্পে আমি বাল্মীকি নামে এক লেখকের চরিত্রে, যার এক সময়ে বেশ নামডাক ছিল। কিন্তু তার জীবনেও অনেক ঘটনা ঘটে যায়… চরিত্র নিয়ে খুব বেশি এখনই বলতে পারব না। তবে এটুকু বলতে পারি, এমন চরিত্রে আমি আগে অভিনয় করিনি। ভারতীয় সিনেমাতেও এমন চরিত্র খুব কম তৈরি হয়েছে।’’

বিক্রম জানালেন,” একে এত বছর পরে ছবির কাজ, তার উপরে অতনুদার মতো পরিচালক, এত ভাল কাস্টিং… সব মিলিয়ে খুব ভাল লাগছে। এখন শুধু শুটিং শুরুর অপেক্ষায়। আমার চরিত্রটাও ইন্টারেস্টিং।’’

গার্গী রায় চৌধুরী বললেন,” এমন অনেক মানুষ আছে, যাকে হয়তো আমরা খিটখিটে, কিপটে… এ ভাবে চিনি, কিন্তু সেই মানুষটির অন্তরের আলো দেখাবে এ ছবি। এমনই একজন মানুষের বাড়িতে লেখালিখির কাজ নিয়ে আসে মেধা। সেই চরিত্রে রয়েছি আমি। ছবিতে আমার লুকটা একদম নতুন।’’ আর একটা চমকও আছে। ছবিতে নিজের কণ্ঠে গান গাইবেন গার্গী।

By Ramiz

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *