• আকাশ বাংলার ‘প্লাটফর্ম ৮’ ওটিটি-তে সদ্য মুক্তি পেলো রোল ক্যামেরা অ্যাকশন-এর প্রযোজনায় নির্মিত সৌভিক মন্ডলের এক ভিন্ন ধারার ছবি, সর্ষেফুল

নিজস্ব প্রতিনিধি:সুমন, M.S.C পাশ করে চাকরি পায়নি প্রায় ৫/৬ বছর হল । উত্তর কলকাতার ভাড়া বাড়ির মধ্যবিত্ত সংসারে বাবার চাকরি যাওয়া, সুমনের চাকরি খোঁজার তাগিদকে বহুগুণ বাড়াতে বাধ্য করেছে । এমনিতেই ৫/৬ বছরের অভ্যাসে সুমনের দিন শুরু হয় চাকরির পাতায় চোখ রেখে, আবেদন করে, দিন কাটে সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ টে চাকরির ইন্টারভিউ দিয়ে আর দিন শেষ হয় বাড়ি ফিরে পাশের বাড়ির ছেলেটা বা মেয়েটার চাকরি পাওয়ার খবরে । এই দমবন্ধ পরিবেশে সুমনের জীবনে একমাত্র প্রাণ খুলে বেঁচে থাকার জায়গা ইন্দ্রাণীর ভালবাসা । কলেজ জীবনে বই কিনতে গিয়ে কলেজষ্ট্রীট এ প্রথম দেখা, ভালো লাগা, আস্তে আস্তে ভালবাসা । এই ভালবাসায় বিশ্বাসটা এতোটা জায়গা নিয়েছে যে “ভালোবাসি” কথাটা কোনদিন কাউকে বলার প্রয়োজন হয়নি। সুমনের বিশ্বাস একমাত্র ইন্দ্রাণী ই অপেক্ষার রাস্তায় একা দাঁড়িয়ে থাকবে আজীবন তার জন্য । কিন্তু বাড়ি থেকে ইন্দ্রাণীর বিয়ের চাপ সেই বিশ্বাসকে টলাতে শুরু করে ধীরে ধীরে ।

অনেক ব্যর্থতার পরে একটা চাকরির ক্ষীণ আলো দেখা দিল সুমনের কাছে । কিন্তু পাকা চাকরির নাম কা ওয়াস্তে ইন্টারভিউতেও অসফল হল সুমন আর বেকার সুমনকে কোনভাবেই বাড়ির চাপের সামনে দাঁড় করাতে পারল না ইন্দ্রাণী । অপেক্ষার পথে সুমন শুধু একা… একদম একা । জীবন শেষের চরম সিদ্ধান্ত নেওয়ার মুহূর্তেই ঘটল সুমনের জীবন পরিবর্তনের ঘটনা । হঠাৎ তার হাতে এসে হাজির স্বপ্নে দেখা বড় অফিসে বড় পোস্টের চাকরি ।

বাড়িতে মধ্যবিত্ত সেলিবেশনের হাওয়া উড়ে গেল। বদলে গেল ঠিকানা, লাইফস্টাইল। ফিরে পেল ইন্দ্রাণীকে। এঁদো কলতলা ছেড়ে সুমন এখন ক্লান্তি কাটায় উচ্চবিত্তের বেসিনের ঝরনায়। জীবন বদলাতে লাগল, এগোতে থাকল সুমন দিবাস্বপ্ন সত্যি হওয়ার হাত ধরে। সময়ের সাথে বদলেও গেল সুমন। এখন এই সুমনকে চেনে না তার বাবা, মা, ইন্দ্রাণী। তৈরি হল এক সমুদ্র ব্যবধান । ভালবাসা, একসাথে থাকা এখন শুধুই অভ্যস ।

সুমন কি ইন্দ্রাণীকে হারিয়ে ফেলবে, ভালবাসার যে জোর তাকে একদিন বাঁচিয়ে রাখত, সেটা কি শেষ হয়ে যাবে, অনেক উঁচুতে ওঠার যে স্বপ্ন সুমন দেখত, আদৌ সফল হবে নাকি সেই দিবাস্বপ্নেই সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হবে সুমন… !

চোখে সর্ষেফুল দেখলেই বাকি উত্তর মিলবে…

দেখা যাচ্ছে আকাশ বাংলার অটিটি প্লাটফর্ম ‘প্লাটফর্ম ৮’-এ

অভিনয়ে আছেন:

সোমরাজ

পৃথা সেনগুপ্ত

কৌশিক চ্যাটার্জি

রুমকী চ্যাটার্জি

রানা বসু ঠাকুর

অনন্যা গুহ

শিঞ্জিনী চৌধুরী

দেবব্রত ভট্টাচার্য্য

মৈত্রেয়ী চক্রবর্তী

পরিচালক – সৌভিক মন্ডল
সিনেমাটোগ্রাফার – জয়দীপ দে
সম্পাদক – স্বর্ণাভ চক্রবর্তী
সাউন্ড ডিজাইন- সৌম্য চ্যাটার্জী
সঙ্গীত পরিচালক – শুভদীপ গুহ
স্ক্রিপ্ট লেখক – অভিনন্দন দত্ত
কালারিস্ট – সৌরভ (I.C.G)
প্রোডাকশন ডিজাইনার – সৌভিক মন্ডল
প্রোডাকশন সহায়তা – রানা বসু ঠাকুর
প্রযোজক – সৌরভ সান্যাল ও অভিনন্দন দত্ত (Roll Camera Action)

By Ramiz

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *