পশ্চিমবঙ্গে যাত্রা শুরু বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবারের, আত্মপ্রকাশ জাতীয় শাখা ‘কল্যাণ ভারতী’র

পশ্চিমবঙ্গ,আগস্ট: রাখী বন্ধনের পুণ্য তিথিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবার। একই মঞ্চ থেকে ঘোষণা করা হল তাদের জাতীয় শিল্প ও সংস্কৃতি শাখা ‘কল্যাণ ভারতী’র আত্মপ্রকাশের কথা।

অনুষ্ঠানে প্রধানভাবে উপস্থিত ছিলেন পরম পূজ্য গুরুদেব আচার্য শ্রী পাবন মহারাজ জি, গুরু মা মনোরমা জি এবং সাধিকা সংহিতা দি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শ্রীমতী স্বর্ণালী মিত্র জি।

এছাড়াও বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমতী শিল্পী পাল, শুভ্রাংশু ঘোষ (রিপোর্টার), সত্যজিৎ রায় (রিপোর্টার), দেবেশ্বর কুমার (জাতীয় সভাপতি, শ্রী তরুণ মিত্র প্রজ্ঞা পরিষদ), শ্রী রমেশ কুমার (জেলা সভাপতি, শ্রী তরুণ মিত্র প্রজ্ঞা পরিষদ), শ্রী বিকাশ সিনহা, শ্রী সঞ্জয় মহেশ (সম্পাদক, উত্তর কলকাতা বিজেপি) এবং শ্রী দেবাশীষ পাইন (সদস্য, বিজেপি রাজ্য কমিউনিটি) এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক মৃত্যুঞ্জয় রায়। সকল অতিথিদের অঙ্গবস্ত্র ও স্মারক দিয়ে সম্মানিত করা হয়।
এদিন সরস্বতী বন্দনার পর মা সরস্বতীর মূর্তি দিয়ে সম্মানিত করা হয় শ্রীমতী শিল্পী পালকে এবং তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কল্যাণ ভারতী’র দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

দ্বৈত দায়িত্বে শিল্পী পাল

শ্রীমতী শিল্পী পালকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে — পশ্চিমবঙ্গে বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবারের সভাপতি এবং ‘কল্যাণ ভারতী’র জাতীয় সভাপতি।

অনুষ্ঠানে আচার্য শ্রী পাবন মহারাজ জি বলেন, বাংলার মাটি বহুদিন ধরেই আমার আধ্যাত্মিক সাধনার ভূমি, আর এখন বসুধা কল্যাণ আশ্রম পরিবারের বিভিন্ন সেবামূলক কাজের মাধ্যমে তা আমার কর্মভূমি হয়ে উঠছে।

তিনি জানান, ‘কল্যাণ ভারতী’ ভারতীয় শিল্প, সঙ্গীত, সাহিত্য, নৃত্য ও লোক-ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও প্রসারে কাজ করবে এবং বঞ্চিত প্রতিভাবান শিল্পীদের জন্য একটি মঞ্চ তৈরি করবে।

By Ramiz

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *