কিছু সন্ধ্যে আসে ভালো লাগা গানে, কবিতায় , প্রিয় শিল্পীদের এক মঞ্চে, এক সাথে উপভোগ করার জন্য। বৃষ্টির দিনে গানে, কবিতায় দুই কিংবদন্তি রবীন্দ্রনাথ- গুলজার এর অমর সৃষ্টির উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রবীন্দ্র সদনে। খুকুমণি নিবেদন করে “দুই তারার দোতারা”, আয়োজক বেঙ্গল ওয়েব সলিউশন। মঞ্চ ভাবনায় সৌম্য সরকার।
এই বর্ষায় সংস্কৃতিপ্রেমী শহরবাসীর জন্য তেমনই এক মায়াবী সন্ধ্যা সুর ও কবিতার শ্রাবণ-গাথা উচ্চারিত হল শিল্পীদের কন্ঠে।”দুই তারার দোতারা”। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার রবীন্দ্র সদন প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত হলো অনুষ্ঠানটি ।যেখানে একই মোহনায় এসে মিলেছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী সৃষ্টি এবং প্রখ্যাত গীতিকার গুলজারের গভীর ও সংবেদনশীল লেখনী। ভালোবাসা, বিরহ, আর আবেগের চাদরে মোড়া এই অনন্য সন্ধ্যায় রবীন্দ্রনাথের গান আর গুলজারের কবিতার মায়াজাল বিস্তারিত হল শ্রোতাদের মন থেকে মনে।এই অন্যধারার সঙ্গীত সন্ধ্যাক সুরের ধারায় সমৃদ্ধ করলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী শ্রাবণী সেন, মনোময় ভট্টাচার্য, রূপঙ্কর বাগচী, মেখলা দাশগুপ্ত, অরুণাশীষ রায় এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কবিতার আবহে ছিলেন রাজা দাস এবং পুরো অনুষ্ঠানের সূত্রধরের ভূমিকা পালন করেন আরজে অরিজিৎ। সরোজ দরবারের অসাধারণ ভাবনা ও সংকলনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান বর্ষার সন্ধ্যায় তিলোত্তমার সংস্কৃতিপ্রেমীদের মনে এক অনুভূতির ছাপ রেখে গেল। শিল্পীদের মঞ্চে সম্মান জানান খুকুমণি এর পক্ষে অরিত্র রায়চৌধুরী, রিয়া রায়চৌধুরী। উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে তবু মনে রেখো ( শ্রাবণী সেন ), তুঝসে নারাজ নেহি ( রূপঙ্কর বাগচী ), ছোটি সি কাহানি সে ( মেখলা দাশগুপ্ত ), ফিরসে আইয়ো বাদরা বিদেশী ( চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ), আনেওয়ালা পল ( মনোময় ভট্টাচার্য )।

