- বহু প্রতীক্ষিত বাংলা চলচ্চিত্র ‘ছবিওয়ালা – A Journey of an Artist’-এর গ্র্যান্ড প্রিমিয়ার সম্প্রতি কলকাতার অ্যাক্রোপলিস মলের সিনেপোলিসে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
চলচ্চিত্র জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিল্পী, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানটি এক আবেগঘন ও বর্ণাঢ্য পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
নির্মাতাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছবির মুক্তির আগে প্রথম পোস্টার প্রকাশ, স্পেশাল শো, ইস্ট বেঙ্গল ফুটবল ম্যাচ, মিউজিক লঞ্চ, স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির, দর্শকদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিশেষ প্রদর্শনী-সহ একাধিক প্রচারমূলক কর্মসূচিতে যে বিপুল সাড়া ও ভালোবাসা মিলেছে, তার জন্য তাঁরা সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞ।
তাঁদের বক্তব্য, “এই দীর্ঘ প্রচারযাত্রার প্রতিটি ধাপে দর্শক, সংবাদমাধ্যম এবং শুভানুধ্যায়ীদের অকুণ্ঠ সমর্থন আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। এই ভালোবাসার জন্য আমরা হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।”
‘ছবিওয়ালা’ শুধুমাত্র একজন আলোকচিত্রশিল্পীর জীবনকাহিনি নয়; এটি সেইসব শিল্পীদের স্বপ্ন, সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং বহু প্রতীক্ষিত স্বীকৃতির গল্প, যাঁরা নীরবে সৃষ্টি করে চলেন, অথচ প্রাপ্য সম্মান পান অনেক দেরিতে। নির্মাতাদের আশা, ছবিটির আবেগঘন কাহিনি দর্শকদের হৃদয় স্পর্শ করবে।
চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন বাপ্পা ও দলবল। কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছেন শান্তনু নাথ। প্রযোজনায় রয়েছে A4J Films, নিবেদনে Matchstickx Motion Pictures এবং সহ-প্রযোজনায় SSR Cinemas-এর শতদীপ সাহা। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সৌম্য ঋত, চিত্রগ্রহণে অপু মুখার্জী, সম্পাদনা ও রং বিন্যাসে সায়ন্তন নাগ। গণমাধ্যম প্রচার ও বিপণনের দায়িত্বে রয়েছে রানা বসু ঠাকুর ও JLT Solutions।
চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন প্রয়াত রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবলীনা দত্ত, বিশেষ উপস্থিতিতে শ্রীলেখা মিত্র। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন শান্তনু নাথ, রানা বসু ঠাকুর, রিমি দেব, আরাধনা জানা, অর্পণ বোস এবং খালিদ মেহমূদ তূর্য।
প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, চিরন্জিত চট্টোপাধ্যায়, মমতা শঙ্কর, মোনামী ঘোষ, সুদীপা বসু, বিনীতা চ্যাটার্জি, রতন ঝাওয়ার, ডা. প্রবীর ভৌমিক-সহ একাধিক বিশিষ্ট অতিথি।
বর্ষীয়াণ শিল্পী বিশ্বনাথ মালাকার ও নিমাই ঘোষ কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
গ্র্যান্ড প্রিমিয়ারের সফল আয়োজনের মাধ্যমে ‘ছবিওয়ালা’-র প্রচারপর্বের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সম্পূর্ণ হল। নির্মাতারা আশাবাদী, ছবিটি তার মানবিক গল্প, শিল্পচেতনা এবং আবেগময় উপস্থাপনার মাধ্যমে বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের কাছে বিশেষ স্থান করে নেবে।

