নন্দিতা রায়, শিবপ্রসাদের হাত ধরে শহরে আবারও এক নতুন গোয়েন্দা। তিনি ‘ফুল পিসি’ । নারীদিবসের দিনই শুটিং শেষের জমজমাট পার্টি হয়ে গেল গঙ্গার ধারেই পোলো ফ্লোটেলে ।নারীদের নির্ভীক লড়াইকে কুর্নিশ জানাল টিম ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’।
নন্দিতা রায় , শিবপ্রসাদ মুখ্যোপাধ্যায় , বাংলা সিনেমার এই ‘হিট’ পরিচালকজুটি বরাবরই সিনেমার সঙ্গে আস্ত মনস্তত্ত্বের পাঠ দিতে সিদ্ধহস্ত। ।
‘শুভ মহরৎ’-এ ঋতুপর্ণ ঘোষ দেখিয়েছিলেন মধ্যবিত্ত ‘রাঙাপিসি’র গোয়েন্দাগিরি। তারপর অরিন্দম শীল নিয়ে এসেছেন সুচিত্রা ভট্টাচার্যের ‘মিতিন মাসি’কে। এবার ময়দানে অবতরণ করতে চলেছেন চেনা-পরিচিত গোয়েন্দা ছকে না পড়া ‘ফুল পিসি’ সোহিনী সেনগুপ্ত। সাদামাটা শাড়ি। গায়ে শাল। চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা। মারকাটারি অ্যাকশন ছাড়াও প্রতিপক্ষকে কীভাবে যুক্তিবুদ্ধির মারপ্যাঁচে ধরাশায়ী করা যায়, রহস্য রোমাঞ্চের মোড়কে কৌতুকরসে সে গল্পই ফুটিয়ে তুলবেন নন্দিতা-শিবপ্রসাদ। ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’-এর প্রমিলা বাহিনীর তালিকায় রয়েছেন সোহিনীর পাশাপাশি রয়েছেন অনামিকা সাহা,অনন্যা চট্টোপাধ্যায়, রাইমা সেন, কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় শ্যামৌপ্তি মুদলি।এছাড়াও অভিনেতার তালিকায় আছেন অর্জুন চক্রবর্তী, সৌম্য মুখোপাধ্যায়,ঋষভ বসু প্রমুখ।
ইতিমধ্যেই সিনেমার লুকও প্রকাশ্যে এসেছে । এই ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে সোহিনী সেনগুপ্তকে । তাঁর সংযত অথচ তীক্ষ্ণ অভিনয় এই চরিত্রকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে বলেই আশাবাদী নির্মাতারা।
মিস মার্পেল—যিনি ছোট্ট গ্রাম্য পরিবেশে বসেই মানুষের মনস্তত্ত্ব, ষড়যন্ত্র আর অপরাধের রহস্য উন্মোচন করতেন—বাংলা সংস্করণে রূপ নিচ্ছেন ‘ফুল পিসি’ হয়ে। এখানে গোয়েন্দাগিরি কোনও পেশা নয়, বরং দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা। মানুষকে পড়ে নেওয়ার ক্ষমতা, ছোট ঘটনার মধ্যে বড় সত্য খুঁজে বের করার দক্ষতা, আর নিঃশব্দে সবকিছুর গভীরে পৌঁছে যাওয়ার যে বৈশিষ্ট্য মিস মার্পেলকে অমর করে তুলেছে, সেই সত্তাই নতুনভাবে গড়ে উঠছে এই ছবিতে। ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’ এগোবে মিস্ট্রি-ড্রামার পথে। এখানে রহস্য কখনও উচ্চকণ্ঠ হবে না, বরং ধীরে ধীরে গল্পের আবেগের সঙ্গে মিশে দর্শকের মনে প্রবেশ করবে।
ছবির সঙ্গীতর দ্বায়িত্ব সামলেছেন জয় সরকার, দৃশ্যগ্রহণে অনিমেষ ঘোড়ুই, রূপসজ্জা শিল্পী পাপিয়া চন্দ, পোশাক অনুপম রায়ের।
